২৫ মে ২০১৯

...
...


‘কালনেমির লঙ্কা ভাগের’ পরিণতি কি?

লেখক: আবদুল গাফফার চৌধুরী

তারিখ: ৩ অক্টোবর ২০১৮



বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি ত্রিভুজ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তিনটি গ্রুপ মাঠে নেমেছে। একটি বিএনপি-জামায়াত গ্রুপ। তাতে আছে বিশ দল। দ্বিতীয় গ্রুপ ডাঃ বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট। তৃতীয়টি হচ্ছে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া। সিপিবি-বাসদের বাম জোটের কথা আর তুললামনা। এরা হারাধনের অবশিষ্ট দুই ছেলে।

ঢাকার মহানগর নাট্যমঞ্চে যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে বিএনপি বাহুতে বাহু মিলিয়ে রণসঙ্গীত গাওয়ার পর এই ত্রিভুজ রাজনীতি এক ভুজে পরিণত হতে যাচ্ছে বলে মনে হয়েছিল। ড. কামাল হোসেন ও ডাঃ বদরুদ্দোজার মধ্যে একটা রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েই গিয়েছে মনে করা হচ্ছিল। ড. কামাল হোসেনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত দু’একটা সভায় অসুস্থতার অজুহাতে অনুপস্থিত থানার পর ডাঃ চৌধুরী আবার ঐক্য প্রক্রিয়ার সভায় ফিরে এসেছেন এবং সভামঞ্চে বসে ড. কামাল হোসেনের কানে কানে কথা বলছেন, তারও ছবি সংবাদপত্রে দেখা গেল।

মনে হলো ত্রিভুজ জাতীয় ঐক্য হয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হলো ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্ব মেনে নিতে রাজি আছেন তারা। মাহমুদুর রহমান মান্না প্রাচীন নবাবদের দরবারের নকীবদের মতো ঘোষণা করলেন জাতীয় ঐক্য হয়ে গেছে। এখন শুধু এই ঐক্যের সাংগঠনিক কাঠামো গঠন বাকি। এই ঘোষণা শুনে আওয়ামী লীগবিরোধী আশাবাদীরা আশান্বিত হয়ে উঠলেন, আওয়ামী লীগ এবার যাবে কোথায়। ড. কামাল হোসেন, ডাঃ বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও মির্জা ফখরুলের মতো বীর বাহুদের সঙ্গে দ্বৈরথ সমরে আওয়ামী লীগের পরাজয় অবশ্যসম্ভাবী। পেছনে ভীষ্মের মতো তারেক রহমান আছেন! এবার আর তার শরশয্যা গ্রহণের সম্ভাবনা নেই।

কিন্তু এত শীঘ্র মহানগর নাট্যমঞ্চের নাটকের যবনিকাপাত না হতেই তার শেষের দিকে সব দৃশ্য এমনভাবে বদলে নতুন নাটকের সূত্রপাত হবে তা আমি বুঝতে পারিনি। আমার মতো হয়তো অনেকেই বুঝতে পারছেন না। চারদিকে যখন জাতীয় ঐক্যের দুন্দুভি বাজছে, তখন ঢাকার সংবাদপত্রে খবর বেরুলো- ঐক্যের সাংগঠনিক কাঠামো এখনও তৈরি হয়নি। অথবা তৈরি হতে পারছে না। ঢাকার একটি দৈনিকে প্রকাশিত খবরের অংশবিশেষ এখানে উদ্ধৃত করছি। ‘নির্বাচন সামনে রেখে সরকারবিরোধী দলগুলোর বৃহত্তর ঐক্যের যাত্রা শুরু হলেও এর কোন সাংগঠনিক কাঠামো এখনও দাঁড় করানো যায়নি। এটা দাঁড় করানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিএনপির সঙ্গে কিছু মৌলিক বিষয়ে ঐক্যের উদ্যোক্তাদের এখনও কোন বোঝাপড়া হয়নি। তাই আগামী দিনের আন্দোলনের কর্মসূচীতে বিএনপিকে কিভাবে যুক্ত করা যাবে তা নিয়েও কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।’

এই খবরের প্রেক্ষিতেই কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, ঐক্যের ডাক দিয়ে সংগ্রামের নাকাড়া বাজিয়ে সেনাপতি কিভাবে হঠাৎ বিদেশে চলে যান? ড. কামাল হোসেন তার অতীতের অভ্যাস ত্যাগ করেননি। আমাকে ঢাকার বিভিন্ন সূত্র বলেছেন, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া বিএনপির সঙ্গে বোঝাপড়া করবে কি, ঐক্য প্রক্রিয়া ও যুক্তফ্রন্টের দুই শীর্ষ নেতার মধ্যেই এখন পর্যন্ত কোন বোঝাপড়া হয়নি। উপরে উপরে বোঝাপড়ার ভাব দেখানো হচ্ছে। কিন্তু তলে তলে দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে শীতল যুদ্ধ বা স্নায়ুযুদ্ধ চলছে।

ড. কামাল হোসেন চান এই ঐক্যফ্রন্টের সুপ্রিমো হতে। ডাঃ বদরুদ্দোজা চৌধুরীরও একই ইচ্ছা। এই ইচ্ছাটাই প্রকাশ্যে ব্যক্ত করতে না পেরে ডাঃ বি চৌধুরী এবং পুত্র মাহী চৌধুরী হঠাৎ দাবি তুলেছেন, জামায়াতের সঙ্গে যাদের প্রত্যক্ষ অথবা প্রচ্ছন্ন সংশ্রব থাকবে তাদের সঙ্গে ঐক্য করা যাবে না। অথচ ড. কামাল মুখে যতই জামায়াতের বিরোধিতা করেন, তিনি বিএনপিতে জামায়াতের অবস্থান সম্পর্কে কৌশলী নীরবতা পালন করে বিএনপির সঙ্গে ঐক্য গঠনে এক পায়ে খাঁড়া। তিনি জানেন, বিএনপি-জামায়াতের ভোট সহায়তা ছাড়া একশোটা যুক্তফ্রন্ট গঠন করে তারা নির্বাচনে অংশ নিলে জামানতও রক্ষা করতে পারবেন না।

অন্যদিকে আগামী নির্বাচনে সদলে না হোক, সপুত্র ডাঃ চৌধুরী জয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। তার ঘনিষ্ঠজনদের কাছ থেকে একথাই জানতে পারছি। দেশে ড. কামাল হোসেনের নিজস্ব কোন কনস্টিটিয়েন্সি নেই। তিনি বাঙালি হলেও ছিলেন উর্দুভাষী, দু’দিন আগেও ভালো বাংলা বলতে পারতেন না। উর্দুভাষীরা তাকে তাদের নিজস্ব লোক মনে করে না। বাঙালিরা তাকে এখনও বাঙালি ভাবে না। তার ওপর তিনি রাজনীতি করতে চান, নেতৃত্ব দিতে চান। কিন্তু তার না আছে রাজনৈতিক সাহস, না নেতৃত্ব দেয়ার মতো নীতিগত মেরুদণ্ড। থাকলে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর যিনি মস্কোতে এক সেমিনারে বলেছেন, ‘একাত্তরের পরাজিত শত্রুরা বাংলাদেশে ক্ষমতা দখল করেছে,’ কয়েক বছর পরেই তাদের সঙ্গে ইফতার পার্টিতে খানাপিনা করতে পারতেন না এবং এখন বঙ্গবন্ধু কন্যাকে ক্ষমতা থেকে হটানোর জন্য একাত্তরের সেই পরাজিত শত্রুদের সঙ্গে হাত মেলাবার চেষ্টা করতে পারতেন না।

এ দিক থেকে রাজনীতিতে ডাঃ বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ভালো হোক, মন্দ হোক একটা অবস্থান আছে। তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি আওয়ামী লীগের বিরোধী। তিনি সামরিক শাসকদের সঙ্গে রাজনীতি করেছেন এবং যে দল (বিএনপি) জামায়াতকে শুধু কোলে তুলে নেয়া নয়, ক্ষমতার অংশীদার করেছে, সেই দলেরও শীর্ষ নেতা ছিলেন। তবু তার একটা কনস্টিটিয়েন্সি আছে। যেটা তার পিতা প্রয়াত কফিলউদ্দীন চৌধুরীরও ছিল। নৌকার জোয়ারে একবার তিনি এই কনস্টিটিয়েন্সি থেকে হেরেছেন। ভবিষ্যতে জিতবেন না এমন কোন কথা নেই। কিন্তু ড. কামাল হোসেনের কনস্টিটিয়েন্সি কোথায়? তিনি যদি নির্বাচনে দাঁড়ান কোথা থেকে দাঁড়াবেন? এককালের বিহারি অধ্যুষিত মোহাম্মদপুর থেকে? একবার তো দাঁড়িয়েছিলেন। ফলাফল কি?

এটা একেবারেই আমার ব্যক্তিগত ধারণা (সঠিক হতে পারে আবার নাও হতে পারে)। একদল হতাশ রাজনীতিক নিয়ে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া গড়তে গিয়ে ডাঃ চৌধুরী উপরের হিসাব নিকাশটা করেছেন। তাদের চরিত্রের মধ্যে অমিল বেশি। মিল একটাই। তারা দু’জনেই নেতা হতে অভিলাষী। কিন্তু নেতৃত্বদানের সাহস ও নীতি পরায়ণতা তাদের নেই। একজন দেশের সঙ্কট মুহূর্তে বিদেশে পালান। আরেকজন তারেক রহমানের গুণ্ডাবাহিনী দ্বারা ধাবিত হয়ে মহাখালীর রেল লাইন ধরে দৌড়ান। ঘুরে দাঁড়ান না।

রাজনীতিতে কৌশলগত কারণে তারা দুজনেই এখন বারবার পরস্পরের গলা জড়িয়ে ধরছেন। দুজনেই নিজেদের দল থেকে বেরিয়ে আসা হারাধনের দুই ছেলে। একজন এসেছেন অসাম্প্রদায়িক ও বাঙালি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী দল থেকে। অন্যজন এসেছেন সাম্প্রদায়িক ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী দল থেকে। এ ক্ষেত্রে তাদের রাজনৈতিক ঐক্যের ভিত্তিটা কোথায়? ভিত্তিটা ব্যক্তিগত আক্রোশের এবং ক্ষমতা লোভের। দুজনেই ক্ষমতায় যেতে চান এবং দুজনেই প্রচণ্ডভাবে হাসিনা-বিদ্বেষী। এই উদ্দেশ্য পূরণের জন্য তারা পরস্পরের কাছাকাছি এসেছেন। কিন্তু মনে মনে একে অন্যের প্রতিদ্বন্দ্বী।

ডাঃ চৌধুরী জানেন, যুক্তফ্রন্ট বা জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ায় যেসব উল্লেখযোগ্য দল ও নেতা এসেছেন, তাদের অধিকাংশই অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির ব্যাক গ্রাউন্ডের মানুষ। তাদের সমর্থন নিয়ে ঐক্য প্রক্রিয়ার মূল নেতৃত্বে বসতে চাইলে তাকে জামায়াত বিরোধিতায় কঠোর অবস্থান নিয়ে অতীতের কলঙ্ক থেকে মুক্ত হতে হবে। অন্যদিকে ড. কামাল হোসেন বঙ্গবন্ধুর সেকুলার রাজনীতির বলয় থেকে বেরিয়ে এসে সেই আদর্শের বিরোধীদের নিয়ে ক্ষমতার রাজনীতি করছেন। সুতরাং নেতৃত্ব হাতে রাখতে হলে জামায়াত ও তারেক রহমান সম্পর্কে তার নমনীয় না হয়ে উপায় কি? এ জন্যে বিএনপিও বলতে পারছে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্ব মেনে নিতে তাদের আপত্তি নেই। এ কথাটা তারা ডাঃ বি. চৌধুরী সম্পর্কে বলতে পারবেন না।

এখানে ব্যক্তিগত বিদ্বেষও একটা বড় ফ্যাক্টর। ডাঃ বদরুদ্দোজা চৌধুরী শুধু কৌশলগত কারণে জামায়াতের বিরুদ্ধে অবস্থান নেননি। অন্য কারণ, জামায়াতের ওপর তার অন্ধ রাগ। তারেক রহমান বয়োপ্রাপ্ত হওয়ার পর জামায়াত তার কাঁধে চড়ে বিএনপিকে বশ করে এবং ডাঃ বি চৌধুরীর মতো মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক অধিকাংশ প্রবীণ নেতাকে দল ছাড়তে বাধ্য করে। ডাঃ চৌধুরীকে তো রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অবমাননাকরভাবে বিদায় দেয়া হয়। তারেক রহমানকে দিয়ে জামায়াত এ কাজটা করায়। ডাঃ বি. চৌধুরী এই অপমান এখনও ভোলেননি।

অন্যদিকে শেখ হাসিনার ওপর ড. কামাল হোসেনের প্রচণ্ড রাগের কারণ, তিনি ভেবেছিলেন বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর তিনি শেখ হাসিনাকে সামনে শিখণ্ডি হিসেবে দাঁড় করিয়ে ক্ষমতার শীর্ষে যাবেন। শেখ হাসিনা তার ঘর সংসারের কাজে ফিরে যাবেন। সেটা হয়নি। রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দাঁড়িয়ে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, ‘আমি সামনের দরোজা দিয়ে বঙ্গভবনে ঢুকব।’ সেটাও হয়নি। বিএনপি প্রার্থী বিচারপতি সাত্তারের কাছে তাকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হতে হয়েছে। শেখ হাসিনা পরবর্তীকালে নির্বাচনে জিতে তাকে কোন উপ-নির্বাচনে জিতিয়ে এনে প্রধানমন্ত্রী পদে বসাবেন, তাও বসাননি। ড. কামাল হোসেন হয়তো ভেবেছিলেন, তার সাহায্য, পরামর্শ ও অভিভাবকত্ব ছাড়া শেখ হাসিনা দুদিনও দলের নেতৃত্ব ও ক্ষমতায় টিকতে পারবেন না। তাও হয়নি। শেখ হাসিনা নিজের যোগ্যতা ও মেধার বলেই ড. কামাল হোসেনের পরামর্শ ও সহযোগিতা ছাড়াই নির্বাচনে জিতেছেন, তিন দফা ক্ষমতায় আছেন, ত্রিশ বছরের বেশি দলীয় নেতৃত্বে রয়েছেন। অন্যদিকে ড. কামালের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তি আজ নিজ দেশে রাজনৈতিক এতিম। এই জ্বালা তিনি সহ্য করেন কি করে? তাই তারই মতো বুকে জ্বালা ও বিদ্বেষ আছে এমন অন্য গোত্রের নেতার সঙ্গে মিলে দুজনেই চান ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে।

এই লক্ষ্যেই তারা এক হয়েছেন এবং তাদেরই মতো কিছু সাইনবোর্ডসর্বস্ব দলের তরুণ ও প্রবীণ নেতাকে জড়ো করে জাতীয় ঐক্যের নামে বিএনপির কাঁধেও সওয়ার হওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিএনপি সেয়ানা। তারা এই হতাশ নেতাদের ঐক্যকে তাদের স্বার্থে কাজে লাগাতে চাইলেও তাদের প্রথম মহাসমাবেশে তাদের ডাকেননি। জামায়াতকে ত্যাগ করার শর্ত প্রত্যাহার করে নতজানু না হলে বিএনপি এই প্রক্রিয়াকে পাত্তা দেবে কি? আর বিএনপি পাত্তা না দিলে এই জগাখিচুড়ির ঐক্য প্রক্রিয়া বা যুক্তফ্রন্ট ক’দিন টিকবে?

ড. কামাল হোসেন ও ডা. বদরুদ্দোজার মধ্যে যতই গলাগলির ভাব দেখা যাক, পর্দার আড়ালে তাদের ভেতর নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব রয়েছে। যুক্তফ্রন্ট করতে হলে তাতে যৌথ নেতৃত্ব দরকার। যেমন ১৯৫৪ সালের আদি ও অকৃত্রিম যুক্তফ্রন্টে হক-ভাসানী-সোহরাওয়ার্দীর যৌথ নেতৃত্ব ছিল। বর্তমান দুইনম্বরি যুক্তফ্রন্টে কারা যৌথ নেতৃত্ব দেবেন? দুই ডাক্তারের মধ্যেই যেখানে মনের মিলের অভাব। এই দুই ডাক্তারের সঙ্গে আরেক ডাক্তার জাফরুল্লাকে ফ্রন্টের অভিভাবকত্ব দিলে এই ‘জাতীয় ঐক্যে’র ভবিষ্যত আরও উজ্জ্বল।

আমার ধারণা, নেতৃত্ব ও নীতির কোন্দলে জর্জরিত এই যুক্তফ্রন্টের ভবিষ্যত প্রশ্নবিদ্ধ। বিএনপি তাদের লেজুড় ধরবে না, যুক্তফ্রন্ট তাদের লেজুড় ধরে গণতন্ত্রের জন্য নয়, হাসিনা সরকারকে উচ্ছেদের লক্ষ্যে যুক্ত বা যুগপৎ আন্দোলনের নামে যৌথ চক্রান্তে লিপ্ত হবে। তা সফল হবে না। ডনকুইকসোটের ঘোড়ার খোঁড়া পা বারবার গর্তে পড়বে। যেখানে জনতা নেই, সেখানে অতীতের ব্যর্থ নেতাদের ঐক্য বেশিদিন টিকবে না। এর দ্বারা লাভবান হবে বিএনপি। তবে বিএনপিও এই লাভের ফসল শেষ পর্যন্ত ঘরে তুলতে পারবে কিনা সে সম্পর্কে আবার সন্দেহ আছে। এই ঐক্য ঐক্য খেলা শেষ পর্যন্ত কালনেমির লঙ্কা ভাগের দশাপ্রাপ্ত না হয়।

আলোকচিত্র

আবদুল গাফফার চৌধুরী

...
...
...
...


প্রধান সমন্বয়কারী ও সম্পাদক: রুদ্র সাইফুল
যোগাযোগ: +৮৮০১৭১১০৩১১৫৯

ওয়েবসাইট নির্মাণ ও তত্ত্বাবধায়নে

এহসান আলী, কম্পিউটার কৌশল, বুয়েট